Walton Laptop Tamarind EX710G Pro Price AND Review ওয়ালটন ল্যাপটপ রিভিউ

bankinghelpbd

Walton Laptop Tamarind EX710G Pro Review ||

প্রিয়
বন্ধুরা আজকে আমরা
দেশি
ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ল্যাপটপ নিয়ে। দেশিও পন্য কিনে
হন ধন্য এই কথা যেমন একজন দেশ প্রেমিক নাগরিকের জন্য অতিব জরুরী। ঠিক তেমনি ভাবে
আমাদের কাছ জরুরী সেই পন্যটি সর্ম্পকে আপনাদেরকে বিস্তারিত অবগত করা।
Walton এর
ল্যাপটপ কেমন
আপনারা কিনবেন কিনা? কাদের
জন্য ভালো হবে
? কারা দূরে থাকতে পারেন, বা
এটা যে দামে এসেছে সেই দামে কতটুকু কি আপনাকে দিতে পেরেছে
,
বিষয়গুলো আমরা
  আজ আজকের এই আলোচনাতে বিস্তারিত তুলে ধরবো।
 

ওয়ালটনের
ল্যাপটপ গুলো পাঁচটা সিরিজে পাওয়া যাচ্ছে
, এর
মাঝে দুইটা রয়েছে এন্ট্রি লেভেল বা বাজেট সেগমেন্টে তারপরে মিড রেঞ্জের এবং অন্য দুইটা সিরিজ রয়েছে যেগুলো এখানে একটু বেশি দামের জন্য
বাজারে আনা হয়েছে। তো আজকের আলোচনাতে আমরা যেটা নিয়ে কথা বলছি এটা একটা বাজেট ল্যাপটপ। তামারিন্ড সিরিজের ল্যাপটপের মডেল নম্বর হলো 
Tamarind EX710G Pro. ওয়ালটন কোম্পানী এই পন্যটির
মূল্য রেখেছে সত্তর হাজার নয়শো নব্বই টাকা। আর এই ল্যাপটপের আরও একটি ভ্যারিয়েন্ট
রয়েছে যেটাতে
Core i five ten generation ব্যবহার
করা হয়েছে। যার মূল্য আরও দশ হাজার টাকা কম রয়েছে।


Walton Laptop Tamarind EX710G Pro



একে charge করার
জন্য একটি
adapter দেওয়া হয়েছে এবং এর বক্সে
আপনি পেয়ে যাচ্ছেন সুদৃশ্য একটি ব্যাগ।
  যে
ব্যাগটাতে করে আপনি এই ল্যাপটপটিকে বহন 
করতে
পারবেন এবং
 সাথে
প্রয়োজনীও আরো কিছু আপনি এতে সম্বল করতে পারেন। একদম ছোট ব্যাগ ও নয় অন্যান্য
জিনিসপত্রও
carry করা যাবে অবশ্যই।  ডিজাইনের
দিক থেকে
 এটা টোটালি সিলভার কালারের এবং
এর
both side এ কিন্তু আপনারা metallic একটা ফিনিশিং লক্ষ্য করবেন। যার ফলে laptop টার
একটা সুন্দর ভাব ফুটে উঠেছে। অনেক টা
premium এর
ভাব পাবেন অবশ্যই বলা যেতে পারে। দাম অনুযায়ী ঠিকঠাক রয়েছে বলা চলে।
 উপরের
সাইডে ওয়াল টার্নের ব্র্যান্ডিং দেখতে পাবেন। যেটা সব সময় হওয়ারই কথা
, এটাও
দেখতে বেশ ভালোই লাগবে।

ল্যাটটপের thickness হলো
eighteen point eight মিলিমিটার।  এটাকে
আপনি মোটেই মোটা বলতে পারবেন না। আবার একদম যে 
slimmest সেটাও
বলতে পারবেন না। বাজেট বিবেচনায় এর
thickness
ঠিকঠাক রয়েছে। আর এর ওজন হল
one point four kg. তো
বলা যায় মোটামুটি হালকা পাতলা ল্যাপটপ।
 আপনি
যদি এটাকে ওপেন করেন রেগুলার ল্যাপটপের মত অবশ্যই ডিসপ্লে টি দেখতে পাবেন। এখানে
কিবোর্ড রয়েছে
, রয়েছে টাচ প্যানেল। তো মোটামুটি যা
থাকে তাই রয়েছে ল্যাপটপটিতে।
 ডিসপ্লের
নিচের দিকে ওয়াটনের ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে।
 অন্য
পাশে
 তামারিন্ড লেখা রয়েছে এবং right সাইডে আপনারা
দেখতে পাবেন
EX seven লেখা রয়েছে। 

Port : বাম পাশে এ পেয়ে যাবেন চার্জিং পোর্ট একটি SIM কার্ড স্লটও দেওয়া হয়েছে সাথে। যেটা
আপাতত
disable অবস্থায় পাবেন। এরপরে
আপনারা পেয়ে যাবেন একটি
USB port এরপরে রয়েছে power
switch,
যার মাধ্যমে আপনি মূলত এটাকে on করবেন। তারপরে
আপনি দুই দুটো
three point five মিলিমিটার জ্যাক লক্ষ্য করবেন।
যার একটির মাধ্যমে আপনারা
microphone ব্যবহার করতে পারবেন এবং একটার
মাধ্যমে
airphone ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এই
জিনিসটাকে একটার মাধ্যমেও করা যেত তাহলে আরো বেশি
  সহজ
হতো ব্যবহারকারীদের জন্য। এটা অবশ্য ব্যবহারকারীদের মতামত নয়
, এটা
নিতান্তই আমার নিজস্ব মতামত।
  তবে
এরকম থাকলে হয় কি দুইটা আলাদা আলাদা ব্যবহার করার সুযোগ থাকে।

রাইট সাইডে রয়েছে
এ ইথারনেট জ্যাক
, যেখানে আপনারা সরাসরি land
connection
ব্যবহার করতে পারবেন। এর পাশেই রয়েছে একটি মাল্টি কার্ড রিডার, তারপরে আপনারা পেয়ে যাবেন HDMI female ফোর্ট।  রয়েছে
mini display port. USB পোর্ট রয়েছে একটি এবং তার পাশে
যাবেন
USB type C port. যেটাও কিনা three
point one JN two.
একটা laptop হিসাবে
এটাতে কিন্তু একদম রেগুলার সমস্ত রকমের
প্রয়োজনীয় পোর্টগুলি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। হয়তো এই budget এর
আরও বেশ কিছু
laptop এ আমরা এত কিছু একসাথে দেখি না।
কাজেই বিচার বিশ্লেষণে বলা যেতেই পারে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে ভাবতে ভালোই লাগে। তো এই
জন্য ওয়ালটনকে একটা
thumbs up. 
 
Display : Okay কথা
বলা যাক
display নিয়ে। এই ল্যাপটপটির display
size হলো চোদ্দ ইন্স. এটা IPS LCD
প্যানেল যা ফুল HD প্লাস
রেজুলেশন এর।
 আর এটা কিন্তু ম্যাট গ্লোসি নয়
গ্লোসি হলে যে জিনিসটা হয় ডিসপ্লেতে লাইট পড়লে পরে
reflection
দেখা যায়।  তো
ম্যাট হওয়া তে এই সুবিধাটা অবশ্যই পাচ্ছেন দেশিও এই পণ্যটাতে।
Display
এর quality অবশ্যই ভালো রয়েছে যেহেতু IPS LCD
panel
এর কাছ থেকে অবশ্যই ভালো quality পেয়ে
যাবেন। বেশ
vibrant color দেয় দেখতে অবশ্যই ভালো লাগবে
আপনার। আর এর
brightness সেটা আপনার কাছে মনে হবে একদম
ঠিকঠাক রয়েছে। মূলত
laptop গুলো আসলে indoor
ব্যবহার হয়ে থাকে।
  সেই হিসাবে এর যে brightness
সেটা একেবারেই ঠিকঠাক বা খাপে খাপ। 
 
Keyboard :
এবারে কিবোর্ড, ওয়ালটন
এর এই ল্যাপটপটিতে আপনি বিজয় লে
 আউট
এর কিবোর্ড পেয়ে যাবেন
, যেটা আপনাদের অনেকেরই প্রয়োজন হতে
পারে কারণ
, বাংলা টাইপিং এর একটা বিষয় থাকে
আমাদের দেশের ক্ষেত্রে বেশ প্রয়োজনীয়ও বটে।
 এর
কিবোর্ড থেকে আপনি খুব ভালো রকমের একটা ফিল পাবেন। তবে একটা বিষয় আপনার
মনে হতে পারে আর তা হলো
, দুইটা key এর
মাঝে
gap টা যদি একটু কম হতো তাহলে মনে হয়
বিষয়টা আরো দারুণ হতে পারতো। সেক্ষেত্রে যে জিনিসটা হতো
typing
mistake
হওয়ার possibility কম
থাকতো
, বিশেষ করে যারা সবেমাত্র লেখালেখিতে
হাত দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে। তবে এগুলো আসলে অভ্যাসের ব্যাপার কয়েকদিনের মধ্যেই
আপনি ইউজ টু হয়েও যাবেন আর এই
keyboard টা
কিন্তু ব্যকলাইট
 যার কারনে keyboard
থেকে আপনি আলো জ্বলতে দেখবেন এবং যেটাকে আপনি three
step
এ বা three stage set up করে
নিতে পারবেন। যদিও যতটুকু আলো হয় তাতে খুব ভালো ভাবেই একদম লাইট
off করেও
এটাকে চালানো যায়। কিবোর্ডের পরেই রয়েছে
Task Pad. যেটা
বেশ
responsible smooth. তবে এর size টা
আরেকটু বড় হলে হয়তো মনে হয় ভালো হত।
  সেই
ক্ষেত্রে কাজ করতে একটু সুবিধা হত।
  কারন
এখানে যে দুইটা বাটন রয়েছে
সেটা
ততটা
Tackle Feel দেয় না। এটা মনে হয় একটু বড়
হলেই ভাল হত মনে হচ্ছে।

Walton Laptop Review


 
Speaker : এবারে
এর
speaker এবং sound
quality
সম্বন্ধে একটু জানা যাক।  Laptop টির
নিচের দিকটাতে দু পাশে আপনারা লক্ষ্য করবেন
  দুইটা
speaker grill রয়েছে। তো Laptop টা
আসলে খুব একটা উঁচু হয় না
, যখন কিনা আপনি নিচে রাখবেন।  তো
যে কারণে আপনার মনে হতে পারে
  সাউন্ড
একটু কম বের হচ্ছে বা আটকে যাচ্ছে কিনা
? আসলে
বিষয়টা সেরকম না
, laptop টাকে যদি আপনি হাতে তুলেও রাখেন
তাও খেয়াল করবেন যে
sound level টা একটু কম রয়েছে.। আমার যা
মনে হয়
, এর যে speaker grill, এই
বরাবর আসলে এর
speaker grill টি নেই সেটা হয়তো বা একটু distance
এ রয়েছে এবং সেখান থেকে পাইপিংয়ের মাধ্যমে speaker
grill
এই জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে।  যে
কারণে এর থেকে
sound একটু আমরা কম পাবেন।  তবে
একটি
studio surrounding sound দেয়
যেটা শুনতে বেশ ভালোই লাগে আর কি।
  Over all বিবেচনায়
বলা যায় এর
sound quality তে আর একটু improvement
এর জায়গা অবশ্যই আছে। এই বাজেট বিবেচনায় এর থেকে আরেকটু loud
and clear sound
আশা করা যায়। সেটা খুব বেশি দাবি হবে
না।
 


Cooling
performance :
তো performance
যাওয়ার আগে এর
thermal বা cooling
সিস্টেম সম্বন্ধে একটু জানা যাক। এর নিচের দিকটাতে আপনারা
লক্ষ্য করলে দেখবেন সেখানে একটি ফ্যান ব্যবহার করা হয়েছে। মূলত এটার মাধ্যমে
বাতাসটাকে টেনে ভিতরের দিকে নেবে এবং ওই নিচ থেকে বাতাস টেনে নিয়ে বের করার জন্য
exist রাখা
হয়েছে । তার মানে বাতাসটা যখন বের হচ্ছে এটা ঠিক উপরের সাইড দিয়েই বের হচ্ছে।
  তো
এই ফ্যান
laptop টিকে কতটা ঠান্ডা রাখতে পারছিল
এই প্রশ্ন আপনার মনে আসতেই পারে
? আমাদের বিচার বিশ্লেষনে মনে
হয়েছে ল্যাপটপটা
normal use এ তেমন একটা গরমই হয় না। মানে regular
use
এ খুব একটা গরম হবে  না।  তবে
এরকম বাজেটেরই বিভিন্ন
laptop কে আপনারা সচারচর আরো বেশি গরম
হতে দেখবেন। সেই হিসেবে বলা যায় অনেকটাই কম গরম ছিল।
  আমার
নিজস্ব যে
laptop, ওইটা প্রচুর গরম হয়ে যায়। সেই
তুলনায় এইটা অতটাও গরম হয় না। তাই বলা যায় যে এর
cooling সিস্টেম
টা আসলে বেশ ভালোভাবে কাজ করে।
  একই
সাথে এর
performance টাও ধরে রাখতে পারে।  

Processor & Configuration : আমরা সব মিলিয়ে যদি কনফিগারটা দেখতে চাই তবে সেটি হচ্ছে নিম্নরুপ।

Tamarind EX710G Pro:

Display14.0” (35.56cm) FHD (1920×1080) Matte LED Backlit Display with 45% NTSC
GenerationIntel®  10 Generation Processor
CPUIntel® Core™ i7-1065G7 1.30GHz up to 3.90GHz
Cache Memory8 MB Intel® Smart Cache
RAM8GB DDR4 2666MHz RAM
Storage512GB SATAIII M.2 2280 SSD
CommunicationWi-Fi 5.0 (802.11ac) + BT 5.1
ColorBlack

Game : অনেকেরই
প্রশ্ন থাকবে
, এটা দেখেই গেমিং করা যাবে
অনেক জিজ্ঞেস করবেন পাবজি টাবজি খেলা যাবে কিনা এটা দিয়ে।
আসলে পাবজি খেলার জন্য না কারণ ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স। আপনারা জানেন অবশ্যই
পাবজির মত গেম বা এই ধরনের ভারী গেম খেলার জন্য অবশ্যই ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড
থাকতে হয় সেই জিনিসটা আপনি যেহেতু এই
laptop
পাচ্ছেন না।
Gaming এর জন্য এটা অবশ্যই appropriate
কিছু হবে না। তাই
বলে হতাশ হবেন না। তবে আপনি চাইলে ছোটখাটো
গেমসগুলি অবশ্যই খেলতে পারবেন। 
 
Webcam : Laptop টি
display র উপর আপনি one
megapixel
এর একটি webcam দেখতে
পারবেন। যেটাতে এভারেজ একটা রেজাল্ট পাবেন কাজ চালিয়ে নেবার মত। 
আপনারা
জানেন যে ল্যাপটপের ওয়েবক্যামগুলি সাধারণত ততটা ভাল রেজাল্ট দেয় না। সুতরাং এটা থেকেও আপনারা
 মোটামুটি ধরনের রেজাল্ট পেয়ে যাবেন এটা নিশ্চিত। 
 
Price : Okay, এবারের
price এর সম্বন্ধে কিছ বলার রয়েছে, অবশ্যই ওয়ালটন এর ল্যাপটপ সত্তর
হাজার টাকা যেটা আপনাদের কাছে একটু বেশিটা বলেই মনে হতে পারে। প্রথমতো আপনার হয়তো
মনে হতে পারে ওয়ালটন এতো দামি ল্যাপটপ তৈরী করে এমনটাই হয়তো বা আপনার জানা নেই।
  এখন
ভাবতেই পারেন ওয়ালটনের ল্যাপটপ কিভাবে একটা মানুষজন এতো দামে দিয়ে কিনবে
তো এই কেন কিনবে এই প্রশ্নের উত্তরটা আমি আসলে পেয়েছি এটা
ব্যবহার করতে গিয়ে।
  ব্যবহার করতে গিয়ে মনে হলো যে
না আসলে ওয়ালটন ভালো কাজ করছে এবং তারা এই ল্যাটপে যে দামটা রেখেছে হ্যাঁ সেটা
একটু কম হলে আমাদের জন্য অবশ্যই ভালো হতো। দেশীয় প্রোডাক্ট দেশে তৈরি হয়েছে
, সেই
হিসেবে আমরা একটু কম দামে আশা করতেই পারি।
  তবে
যেহেতু তাদের উৎপাদনের কম পরিমাণে করছে। যে কারণে প্রোডাক্ট কস্টিং বেশি হয়ে
যায়।
 একটা সময় এমন হয়ত ভবিষ্যতে আসবে যখন ওয়ালটন ল্যাপটপের চাহিদা ও আস্থা আমাদের মাঝে তৈরী হবে। আর ততদিনে আশাকরি দামটাও সবার জন্যে সাধ্যের মধ্যে চলে আসবে।



Tags: Walton Laptop
Price, alton Laptop Latest Price, Walton Laptop Features, Walton
Laptop Review, Walton Laptop Unboxing And Review, Walton Laptop Official
Price, Walton Laptop Online Price.

Similar Posts